পৃষ্ঠাসমূহ

Search Your Article

CS

 

Welcome to GoogleDG – your one-stop destination for free learning resources, guides, and digital tools.

At GoogleDG, we believe that knowledge should be accessible to everyone. Our mission is to provide readers with valuable ebooks, tutorials, and tech-related content that makes learning easier, faster, and more enjoyable.

What We Offer:

  • 📘 Free & Helpful Ebooks – covering education, technology, self-development, and more.

  • 💻 Step-by-Step Tutorials – practical guides on digital tools, apps, and software.

  • 🌐 Tech Updates & Tips – simplified information to keep you informed in the fast-changing digital world.

  • 🎯 Learning Support – resources designed to support students, professionals, and lifelong learners.

    Latest world News 

     

Our Vision

To create a digital knowledge hub where anyone, from beginners to advanced learners, can find trustworthy resources and grow their skills.

Why Choose Us?

✔ Simple explanations of complex topics
✔ 100% free access to resources
✔ Regularly updated content
✔ A community that values knowledge sharing

We are continuously working to expand our content library and provide readers with the most useful and relevant digital learning materials.

📩 If you’d like to connect, share feedback, or suggest topics, feel free to reach us through the Contact page.

Pageviews

Thursday, October 26, 2017

সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কলার গুনাগুন

img-responsive

কলা শুধু যে ‍পুষ্টিকর ফল হিসেবে পরিচিত তা নয়, রোগ নিরাময়েও রয়েছে এর বহুবিধ ব্যবহার। কলা আমাদের
সকলের কাছে পছন্দের একটি ফল। সাথে সাথে এটির দাম কম হওয়ায় সকলে কিনে খেতে পারে। আর এই সহজলভ্য কলাটির রয়েছে হাজারো পুষ্টিগুণে ভরপুর। কলা খেয়ে কলার খোসা কি কেউ যত্ন করে রেখে দেয়? দেয় না, বরং আবর্জনা মনে করে ফেলে দেয়। অথচ এই কলার খোসারও রয়েছে নানা রকম উপকারিতা। কলার মোচা, কলা গাছের পাতা এবং শেকড় কোন কিছুই ফেলার নয়। সবই ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায়।
আমরা প্রায় সবাই জানি কলা খাওয়া আমাদের স্বাস্থের জন্য ভালো। কিন্তু কেন ভালো বা এটি কত ভাবে আমাদের উপকার করে থাকে তা না জানার কারনে অনেকেই কলা খাওয়াটাকে তেমন একটা গুরুত্ব দেই না। কলার উপকারীতাগুলোর মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো এটি রক্তচাপ কমায় এবং শক্তিক্ষয় রোধ করে। এই দুটি উপকারীতা ছাড়াও কলার আরও অনেক উপকারীতা রয়েছে। তেমনই কিছু উপকারীতা এখানে তুলে ধরা হলো।

চুলকে আরও আকর্ষনীয় করতে

চুল পরিচর্যায় কসমেটিকস এর পরিবর্তে কলা অন্যতম বিকল্প হতে পারে। হেয়ার মাস্ক হিসেবে কলা চুলে ব্যাবহার করতে পারেন। কলায় রয়েছে ভিটামিন বি ও ফলিক অ্যাসিড সহ আরও অনেক পুষ্টিগুন তাই এটি চুলে সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যাপকভাবে সহায়তা করে। কলার সাথে চুলের সৌন্দর্যবর্ধক অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান যুক্ত করে আপনি আরও ভালো ফলাফল পেতে পারেন। এর জন্য আপনার প্রয়োজন কলা, দুধ এবং মধু। উপাদানগুলো একত্রে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর তা চুলে দিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর তা ধুয়ে ফেলুন।

দেহে প্রোবায়টিক এর যোগান দিতে  

আমাদের দেহের অন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার নিয়ন্ত্রনের জন্য প্রোবায়টিক গ্রহন করা প্রয়োজন। আর অন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া বৃদ্ধি হওয়া মানেই পুরো দেহেই এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়া। প্রোবায়টিক এর একটি অন্যতম প্রাকিৃতিক উৎস হলো কলা কেননা কলাতে রয়েছে ফ্রুক্টোওলিগোস্যাকারাইড (FOS) যা দেহে উপকারী ব্যাক্টেরিয়া বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

৩। ওজন কমাতে সাহায্য করতে

অধিক ক্যাররির খাবারের বিকল্প হিসেবে কলা খাওয়া হলে তা দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া কলা মিষ্টি জাতীয় খাবার হওয়ায় চিনির আকাঙ্খা থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে। মাঝারি আকৃতির একটি কলায় মাত্র ১০৫ ক্যালরি থাকে। এছাড়াও কলাতে রয়েছে ক্রোমিয়াম নামক খনিজ পদার্থ, যা বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে।

৪। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে

কলা ব্যাবহার করে খুব সহজেই ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করা যায়। কলার খোসা ব্যবহার করে সহজেই মুখের দাগ দূর করা যায়। মধুর সঙ্গে কলার খোসা মিশিয়ে মুখে ভালো করে ঘষলে এই দাগ দূর হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। বিশেষ কোনো উপলক্ষ্যে বা অনুষ্ঠানের আগের রাতে মুখের দাগ দুর করতে চাইলে পুরো মুখে কলা ব্যাবহার করুন এতে ভালো ফলাফল পাবেন। রাতে মুখে দিয়ে এরপর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কলায় রয়েছে ভিটামিন-এ যা মুখের দাগ দুর করে এছাড়াও রয়েছে ভিটামিন-ই যা ত্বকে আনে তারুন্যের ঝলক।

মাংসের তরকারী আরও‍ সুস্বাদু করতে

কোনো কোনো এলাকায় মাংসকে নরম ও সুস্বাদু করতে রান্নার সময় কলাপাতা দিয়ে পেঁচিয়ে রান্না করা হয়। এই একই ফলাফল আপনি তরকারীতে কলা ব্যাবহার করেও পেতে পারেন। বাজার থেকে কলা কিনে এনেছেন কিন্তু এখনও তা কাঁচাই আছে? চিন্তা কি? মাংসের তরকারিতে কলা দিয়ে রেধে ফেলুন। এতে করে বাড়িতে পড়ে থাকা কাঁচা কলাগুলো যেমন কাজে লাগছে তেমনি তরকারিতে ভিটামিন ও ফাইবার এর পরিমানও অনেক বেড়ে যাবে।

 ৬। দুশ্চিন্তা  দূর করতে

কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্তচাপ কমায়। এছাড়াও এটি মানসিক চাপ কমায় এবং একই সাথে মানসিক কর্মদক্ষতাও বৃদ্ধি করে। এর কারন হলো এটি কর্টিজল নামক স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রন করে। তাই যেকোনো গুরুত্বপুর্ন বা স্ট্রেসফুল কাজ শুরু করার পুর্বে একটি কলা খেয়ে নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৭। দাঁত সাদা করতে

মিনারেলে ভরপুর কলার খোসা দাঁতকে সাদা ঝকঝকে করে তুলতে পারে। অনেকেই দাঁত থেকে হলদে ভাবটা কিছুতেই ওঠাতে পারেন না। পাকা কলার খোসার ভেতরের দিকটা দিয়ে কিছুক্ষণ দাঁত মাজুন। এভাবে এক সপ্তাহ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। দাঁতের ব্যথা কমাতেও কলার খোসা ভালো কাজ করে।

৮। শারিরিক পরিশ্রম ও ব্যায়ামে শক্তি যোগায়

বড় ধরনের শারিরিক পরিশ্রম এর জন্য প্রয়োজন ভিটামিন-সি। কেননা এটি শরীরের পেশি, লিগামেন্ট ও রগ শক্তিশালী করে তোলে। কলায় প্রচুর পিরমানে ভিটামিন সি রয়েছে। যেহেতু এটি শারিরিক পরিশ্রমে প্রচুর সহায়তা করে, তাই ব্যায়াম করার পূর্বে কলা খাওয়ার অভ্যাস অত্যন্ত উপকারী।

৯। পায়ের গোড়ালি পরিচর্যায় সহায়তা করে

পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে এক্ষেত্রে কলা অনেক উপকার করে। শুধু কলা থেঁতলে নিয়ে আপনার পায়ের গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। এরপর কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন, যেন তা ধীরে ধীরে চামরার ভেতর প্রবেশ করতে পারে। এখন থেকে আপনাকে আর ফাঁটা গোড়ালী নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হবে না।

১০। ঘুমের জন্য সহায়ক

রাতে বিছানায় এপাশ ওপাশ করেন কিন্তু ঘুম আসে না? কলা হলো এই সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান। কলা ট্রিপটোফেন নামক এক প্রকার অ্যামিনো অ্যাসিড এর খুবই ভালো উৎস। এই ট্রিপটোফেন সেরোটিন নামক হরমোন তৈরিতে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করে। এই হরমোন মনে প্রশান্তি নিয়ে আসে, এমনকি মেজাজ খারাপ থাকলে তা-ও ভালো করে দিতে পারে। ঘুমানোর প্রায় এক ঘন্টা আগে একটি কলা খেয়ে নিন যাতে আপনার শরীর তা হজম করে ট্রিপটোফেন তৈরি করতে পারে আর আপনাকে উপহার দিতে পারে আকটি শান্তিময় ঘুম।

১১। চোখের ছানি পড়ার থেকে রক্ষার্থে

চোখে ছানি পড়ার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে কলার খোসা। চুলকানি ও চোখের অবসাদ দূর করতে চোখের ওপর কলার খোসা মেখে নিতে পারেন। কলার খোসায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট লুটিন থাকে৷ অতিবেগুনি রশ্মির ছোবল থেকে চোখকে বাঁচায় এই লুটিন৷

১২। মাইগ্রেন দূর করতে

মাথাব্যাথা ও মাইগ্রেন এর ভয়ানক ব্যাথা আপনার সারাটা দিন মাটি করে দিতে পারে। কিন্তু কলা-ই পারে এই অবস্থা প্রতিরোধ করতে। কলায় প্রচুর পরিমানে ম্যাগনেসিয়াম থাকায় এটি মাথাব্যাথার প্রকৃতিক নিরাময় হিসেবে কাজ করে। তাই এখন থেকে যে কোনো সময় আপনার মাথা ব্যাথা শুরু হতেচাইলেইচটকরেএকটিকলাখেয়েফেলুন।
এরপর থেকে বাজারে গেলে বা দোকান থেকে কোনো কিছু কিনতে গেলে সাথে কলা কিনতে কখনো ভুলে যাবে না যেন! নিয়মিত কলা খান আর সুস্থ ও সুন্দর থাকুন।

রোগ নিরাময়ে কলার ব্যবহার

  • কলায় আছে প্রচুর আয়রন যা রক্তে হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে সাহায্য করে। তাই রক্ত শূন্যতার জন্য কলা খুবই উপকারী।
  • প্রায়ই যাদের মাথা ব্যাথা করে তারা বেশি করে কলা খান। কলা মাথা ব্যাথার তাৎক্ষণিক উপসম করে কিছুটা হলেও। এছাড়াও মানসিক চাপ অনুভূত হলে কলা খেলে মানসিক চাপ কিছুটা কমে।
  • কলা অ্যান্টাসিডের মত কাজ করে। অর্থাৎ কলা হজমে সহায়তা করে এবং পেট ফাঁপা সমস্যা সমাধান করে। এছাড়াও কলা পাকস্থলীতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করতে সহায়তা করে।
  • একটি পাকা কলা চটকে অল্প পানিতে মিশিয়ে হালকা গরম করে সেটাকে ছেঁকে নিয়ে সেই পানিটা সকাল ও বিকালে কয়েক দিন খেলে শুষ্ক কাশি উপশম হবে। তবে প্রতিদিন নতুন করে তৈরী করতে হবে।
  • কাঁচাকলা দু-তিনটা খোসাসহ দুই টুকরো করে কেটে অল্প পানিকে সিদ্ধ করে কলার ভর্তা ৪/৫ বার খেলে ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা বন্ধ হয়ে যাবে। পাশাপাশি খাবার স্যালাইনও খাওয়া যাবে।
  • প্রসূতির কাঁচা নাড়ী শুকাতে, প্রসবের পর শরীরকে ঝরঝরে করার জন্য কাঁচা কলা পুড়ে ভর্তা করে ভাতের সাথে খেতে হবে।
  • ১টা কাঁচাকলা চাকা চাকা করে কেটে রাত্রে ১ গ্রাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে খালিপেটে সেই পানি খেলে মাসখানিকের মধ্যে প্রদর রোগ সেরে যাবে।
  • ধূমপান ছাড়ার জন্য নিয়মিত কলা খান। কলায় থাকা ভিটামিন বি৬, বি১২, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম শরীর থেকে নিকোটিনের প্রভাব দূর করতে সাহায্য করে
  • কৃমির জন্য ১ চা-চামচ কলাগাছের শেকড়ের রস সকালে খালি পেটে ১ সপ্তাহ খেতে হবে। প্রাপ্ত বয়স্ক ৩-৪ চা-চামচ, কিশোর বয়স্কদের ২ চা-চামচ আর শিশুদের ১ চা-চামচ খাওয়াতে হবে।

গলায় ব্যথা, লাল দেখায়, কর্ণমূল পর্যন্ত ব্যাথা, মনে হয় যেন গলায় ঘা হয়েছে, গলার স্বর ভাঙ্গা ভাঙ্গা: এ      ক্ষেত্রে ১টা পাকা কলা ১ কাপ পানি দিয়ে চটকে গরম করে ছেঁকে নিয়ে সকালে এবং নতুন করে তৈরী করে বিকালে খেতে হবে। মাসখানিক খেলেই উপশম হবে।

কলাপাতায় রোগ নিরাময়

  • কানের ব্যাথায়: কলাগাছের মাঝের গোল অর্থাৎ খুলে যায়নি, সেই পাতাকে থেঁতো করতে হবে। রস নিংড়ে নিয়ে একটু গরম করতে হবে। ঐ রস ২ ফোঁটা একবার কানে দিলেই বেদনা কমে যাবে। প্রয়োজনে আবার দিতে হবে।
  • না-কচি, না-শক্ত বিবর্ণ পাতা অর্থাৎ সবুজ পাতা বেটে বা থেঁথলে ছেঁকে সকালের দিকে আধা কাপ খেতে হবে। নুন, চিনি ইত্যাদি মিশিয়ে খাওয়া চলবে না। কলাপাতায় থাকা ক্লোরোফিল পেটে গেলে অন্ত্রের ঘা, লিউকোমিয়া, চর্মরোগ হয় না। কলাপাতার সবুজ রস রক্ত পরিস্কার করে।
  • ব্রঙ্কাটিস, নেফাইটিস, রক্তক্ষরণ, জমা সর্দিতে কলাপাতার রস খুবই কার্যকরী। প্লুরিশি, কাশি, ক্ষয়রোগ ও থুথুর সঙ্গে রক্ত পড়লে সবুজ কলাপাতার রস প্রতিদিন ভোরে আধাকাপ পরিমাণ খেলে ভীষণ উপকার হবে।
  • কচি কলাপাতা বেটে প্রলেপ দিলে কীট দংশন, হুল ফোটা, কাটায় উপকার হবে।
  • সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, আমাশয়, অম্লগ্যাস, উচ্চ রক্তচাপ, লিভারের দোষ হলে কলাপাতার রস উপকারী।
  • শরীরের কোথাও ক্ষত, চর্মরোগ হলে কলাপাতার রস ঘষে লাগালে উপকার হয়।

No comments:

Post a Comment